মূল অংশে যান

أَوْصا

yūṣī

সে অসীয়ত করেছে (যা)

he has made

মূল অক্ষর: و ص يকুরআনে ৫ বার এসেছেব্যবহারের দিক থেকে #১,২৭৪ক্রিয়া (ফে'ল)বাব/রূপ IV
পাঠ ১২৮-এ শিখুন

শব্দের পরিচয়

ক্রিয়া (ফে'ল)বাব/রূপ IVমূল অক্ষর: و ص ي

কালের রূপ — কুরআনে যেভাবে এসেছে

  • অতীত কাল (মাযী)وَأَوْصَـٰنِى১ বার
  • বর্তমান/ভবিষ্যৎ (মুযারে)يُوصِى৪ বার

কুরআনে যেভাবে এসেছে

  • يُوصِيكُمُতোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেনyūṣīkumu · ১ বার
  • يُوصِىসে অসীয়ত করেছে (যা)yūṣī · ১ বার
  • تُوصُونَতোমরা অসীয়ত করেছtūṣūna · ১ বার
  • يُوصَىٰ(যা) অসীয়ত করেছেyūṣā · ১ বার
  • وَأَوْصَـٰنِىএবং আমাকে নির্দেশ দিয়েছেনwa-awṣānī · ১ বার

একই মূলের শব্দ

মূল অক্ষর و ص ي থেকে আসা আরও শব্দ — একটি মূল চিনলে অনেক শব্দ চেনা যায়।

আয়াতে উদাহরণ

আমি যেখানেই থাকি না কেন তিনি আমাকে বরকতময় করেছেন আর আমাকে নামায ও যাকাতের হুকুম দিয়েছেন- যতদিন আমি জীবিত থাকি।

সূরা ১৯:৩১ — পুরো আয়াত পড়ুন

আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তান-সন্ততির (অংশ) সম্পর্কে নির্দেশ দিচ্ছেন, পুরুষ দুই নারীর অংশের সমান পাবে, তবে সন্তান-সন্ততি যদি শুধু দু’জন নারীর অধিক হয় তাহলে তাঁরা রেখে যাওয়া সম্পত্তির তিন ভাগের দু’ ভাগ পাবে, আর কেবল একটি কন্যা থাকলে সে অর্ধেক পাবে এবং তার পিতা-মাতা উভয়ের প্রত্যেকে রেখে যাওয়া সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে যদি তার সন্তান থাকে, আর যদি তার সন্তান না থাকে এবং তার ওয়ারিশ মাতা-পিতাই হয়, সে অবস্থায় তার মাতার জন্য এক তৃতীয়াংশ, কিন্তু তার ভাই-বোন থাকলে, তার মাতা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ, (ঐসব বণ্টন হবে) তার কৃত ওয়াসীয়াত অথবা ঋণ পরিশোধের পর। তোমরা জান না তোমাদের পিতা এবং সন্তানদের মধ্যে কে তোমাদের পক্ষে উপকারের দিক দিয়ে অধিকতর নিকটবর্তী। (এ বণ্টন) আল্লাহর পক্ষ হতে নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, নিশ্চয় আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাশীল।

সূরা ৪:১১ — পুরো আয়াত পড়ুন

তোমাদের স্ত্রীদের রেখে যাওয়া সম্পত্তির অর্ধেক তোমাদের জন্য- যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে আর যদি সন্তান থাকে, তবে তোমাদের জন্য তাদের রেখে যাওয়া সম্পত্তির এক চতুর্থাংশ, তাদের কৃত ওয়াসীয়াত কিংবা ঋণ পরিশোধের পর এবং তারা তোমাদের রেখে যাওয়া সম্পত্তির সিকি অংশ পাবে যদি তোমাদের কোন সন্তান না থাকে, আর তোমাদের সন্তান থাকলে তাদের জন্য তোমাদের সম্পত্তির আট ভাগের একভাগ- তোমাদের কৃত ওয়াসীয়ত কিংবা ঋণ পরিশোধের পর। যদি পিতা-মাতাহীন ও সন্তানহীন কোন পুরুষ বা নারীর শুধু বৈপিত্রেয় একটি ভাই বা একটি ভগ্নি থাকে, তবে প্রত্যেকের জন্য ছ’ ভাগের এক ভাগ। যদি তারা তার চেয়ে অধিক হয়, তবে সকলেই তৃতীয়াংশে শরীক হবে কৃত ওয়াসীয়াত কিংবা ঋণ পরিশোধের পরে, যদি কারো জন্য ক্ষতিকর না হয়, এ হল আল্লাহর বিধান, আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।

সূরা ৪:১২ — পুরো আয়াত পড়ুন